ডুমুরিয়া উপজেলার হরি নদীর একটি শাখা খাল খননের নামে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। হরি নদী থেকে গীতা মন্দির পর্যন্ত প্রায় ৩৬২ মিটার খাল খননের কথা থাকলেও বাস্তবে উল্লেখযোগ্য কোনো কাজ হয়নি বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতায় গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (কাবিটা) কর্মসূচির মাধ্যমে এ খাল খননের জন্য ৩ লাখ ৫২ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ছিলেন রুদাঘরা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সিহাব উদ্দিন মোল্যা।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, নামমাত্র কাজ দেখিয়ে প্রকল্পের অধিকাংশ অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে।
ওয়ার্ড বিএনপির নেতা কামরুল ইসলাম মোল্যা বলেন, “কোনো কাজই করা হয়নি। কাজ না করেই বিল উত্তোলন করা হয়েছে। এ বিষয়ে আমরা জেলা প্রশাসক ও ডুমুরিয়া উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।”
স্থানীয় ব্যবসায়ী আমানুল্লাহ অভিযোগ করেন, দুই-এক জায়গা থেকে কচুরিপানা সরিয়েই পুরো বিল তুলে নেওয়া হয়েছে।
শোলগাতিয়া বাজারের হোটেল ব্যবসায়ী বিকাশ পাল বলেন, ৪-৫ জন লোক দিয়ে অল্প কিছু কাজ করতে দেখেছি, এরপর আর কোনো কার্যক্রম চোখে পড়েনি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি সিহাব উদ্দিন মোল্যা। তিনি বলেন, নিয়ম অনুযায়ী খননকাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। একটি মহল আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
এ বিষয়ে ডুমুরিয়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এস. কে বোরহান বলেন, ‘আমি নতুন যোগদান করেছি। কাগজপত্র অনুযায়ী নিয়ম মেনেই টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। বাস্তবে কী হয়েছে, তা তদন্ত করে বলা যাবে।’
খুলনা গেজেট/এনএম

